খেলাধুলা Archives | ইবিডি নিউজ
বৃহস্পতিবার, ফেব্রুয়ারি ২২পরীক্ষা মূলক

খেলাধুলা

পেশোয়ারে সাকিবের বদলি সাব্বির

পেশোয়ারে সাকিবের বদলি সাব্বির

ক্রিড়া ডেস্ক
পাকিস্তান সুপার লিগের (পিএসএল) বর্তমান চ্যাম্পিয়ন পেশোয়ার জালমি হয়ে ডাক পেয়েছেন সাব্বির রহমান। পেশোয়ারে সাকিব আল হাসানের খেলার কথা থাকলেও চোটের কারণে শেষ পর্যন্ত খেলা হচ্ছে না তার। আর তাই সাকিবের জায়গায় বর্তমান চ্যাম্পিয়নদের পছন্দ ডানহাতি হার্ড হিটার ব্যাটসম্যান সাব্বির রহমানকে। এক টুইট বার্তায় পেশোয়ার বিষয়টি নিশ্চিত করে সাব্বিরের ছবি পোস্ট করে লিখেছে, ‘আঙুলের ইনজুরিতে সাকিব আল হাসান অংশ নিতে পারছেন না এবারের পিএসএল আসরে। তার বদলে তারই স্বদেশি সাব্বির রহমান থাকছেন পেশোয়ার দলে।’ মারকুটে ব্যাটিংয়ের জন্য দারুণ খ্যাতি থাকলেও মাঠ ও মাঠের বাইরে মিলিয়ে সাব্বিরের সময়টা খুব একটা ভালো যাচ্ছে না। ব্যাটেও রান নেই, জড়িয়েছেন নানা বিতর্কে। পিএসএলের মঞ্চটা সাব্বিরের জন্য আশীর্বাদ হয়ে আসবে কি না, সেটাই এখন দেখার। পাকিস্তানের ঘরোয়া টি-টোয়েন্টি আসরে বাংলাদেশ থেকে আরো খেলছেন তামিম ইকবাল, মাহমুদউল্লাহ ও মু
টি-টোয়েন্টি দলে পাঁচ নতুন মুখ

টি-টোয়েন্টি দলে পাঁচ নতুন মুখ

নিউজ ডেস্ক
নতুন চেহারা পেয়েছে বাংলাদেশের টি-টোয়েন্টি দল। সবশেষ সিরিজের দল থেকে বাদ পড়েছেন সাত জন। দলে নতুন মুখ পাঁচ জন, দলে ফিরেছেন তিন জন। শনিবার এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে প্রথম টি-টোয়েন্টির জন্য ১৫ সদস্যের দল ঘোষণা করে বিসিবি। চোটের জন্য টেস্ট সিরিজে খেলতে না পারা সাকিব আল হাসান টি-টোয়েন্টিতে নেতৃত্ব দেবেন দলকে। প্রথমবারের মতো দলে ডাক পেয়েছেন দুই অফ স্পিনিং অলরাউন্ডার মেহেদি হাসান ও আফিফ হোসেন, পেস বোলিং অলরাউন্ডার আরিফুল হক, পেসার আবু জায়েদ ও উইকেটরক্ষক ব্যাটসম্যান জাকির হাসান। কুমিল্লা ভিক্টোরিয়ান্সের হয়ে বিপিএলের শেষ আসরে ১০ ম্যাচে ২৫.৭০ গড়ে ১০ উইকেট নেন মেহেদি। টি-টোয়েন্টিতে এখনও ব্যাটিংয়ে নিজের সামর্থ্য দেখাতে পারেননি। তবে ব্যাট হাতেও অবদান রাখার সামর্থ্য আছে তার। বিপিএলের দুটি আসরে খেলা আফিফ ১১ ম্যাচে ১৭.৪৫ গড়ে নেন ১১ উইকেট। অভিষেক ম্যাচে ২১ রানে ৫ উইকেট তার সেরা। ব্যাটিংয়েও হতে পারেন কার্যকর।
বাংলাদেশের অসহায় আত্মসমর্পণ

বাংলাদেশের অসহায় আত্মসমর্পণ

ক্রিড়া ডেস্ক
কোনও প্রতিরোধই গড়তে পারলো না বাংলাদেশ । আকিলা ধনঞ্জয়ার ঘূর্ণিতে দ্বিতীয় ইনিংসে মাত্র ১২৩ রানেই গুটিয়ে গেছে স্বাগতিকরা। যাতে মিরপুর টেস্টে অসহায় আত্মসমর্পণই করলো তারা শ্রীলঙ্কার বিপক্ষে। ৩৩৯ রানের লক্ষ্যে খেলতে নেমে হারটা ২১৫ রানের। লক্ষ্য যখন ৩৩৯ রানের, আর বাকি আছে প্রায় ৩ দিনের খেলা, তখন জয় ছাড়া অন্য কিছু ভাবার সুযোগও ছিল না। সে কারণেই সম্ভবত টেস্ট নয়, ওয়ানডে মেজাজে ব্যাটিং করেছেন বাংলাদেশের ব্যাটসম্যানরা। যার খেসারত হিসেবে মাত্র১২৩ রানেই শেষ দ্বিতীয় ইনিংস । দ্বিতীয় ইনিংসে বাংলাদেশের হয়ে সর্বোচ্চ ৩৩ রান আসে মুমিনুল হকের ব্যাট থেকে । মুশফিকের ২৫ রান এবং ইমরুল ও লিটন দাশের ১৭ ও ১২ রান ছাড়া কেউই দুই অংক পার করতে পারে নি। এই পরাজয়ের মাধ্যমে ১-০ ব্যবধানে টেস্ট সিরিজ জিতে নিল শ্রীলঙ্কা ।
বাংলাদেশের ধরাছোঁয়ার বাইরে ছুটছে শ্রীলঙ্কা

বাংলাদেশের ধরাছোঁয়ার বাইরে ছুটছে শ্রীলঙ্কা

নিউজ ডেস্ক
দলকে হতাশার অন্ধকারে ডুবিয়েছে ব্যাটিং। আশার আলো ফেরাতে বোলিংয়ে প্রয়োজন ছিল অভাবনীয় কিছুর। খুব খারাপ হয়নি বোলিং, তবে হয়নি যথেষ্টও। ম্যাচের লাগাম তাই শ্রীলঙ্কার হাতে। বাংলাদেশের কাছ থেকে জয় সরে গেছে অনেক অনেক দূরে। প্রথম দিনের মতো মিরপুর টেস্টের দ্বিতীয় দিনও দেখেছে ১৪ উইকেটের পতন। এই পরিক্রমায় প্রায় পতন হয়েছে বাংলাদেশের সম্ভাবনারও। প্রথম ইনিংসে ১১২ রানের লিড নেওয়া শ্রীলঙ্কা শুক্রবার দ্বিতীয় দিন শেষ করেছে ৮ উইকেটে ২০০ রান নিয়ে। লঙ্কানদের লিড হয়ে গেছে ৩১২, উইকেট আছে আরও দুটি। শের-ই-বাংলার টার্নিং উইকেটে বাংলাদেশের লক্ষ্যটা এখনই অসম্ভবের কাছাকাছি। সকালে ৪ উইকেটে ৫৬ রান নিয়ে ব্যাট করতে নেমে বাংলাদেশ গুটিয়ে যায় ১১০ রানে। ২০ বলের মধ্যে ৩ রানে দল হারায় শেষ ৫ উইকেট। হতবিহ্বল ভাবটা কাটিয়ে ওঠার আগেই নামতে হয় ফিল্ডিংয়ে। বোলিংয়ে তবু চেষ্টা ছিল দ্রুত গুছিয়ে ওঠার। প্রথম ইনিংসে দারুণ খেলা কুসল মেন্ডিসক
১১০ রানেই অলআউট বাংলাদেশ

১১০ রানেই অলআউট বাংলাদেশ

ক্রিড়া ডেস্ক
৫৬ রানে ৪ উইকেট হারিয়ে শুক্রবার সকালটা শুরু করেছিল বাংলাদেশ। এক সেশনও পুরোটা খেলতে পারলো না তারা। ব্যাটিং বিপর্যয়ে অলআউট হলো ১১০ রানে। প্রথম ইনিংসে ২২২ রান করা শ্রীলঙ্কা ১১২ রানের লিড নিয়ে খেলবে দ্বিতীয় ইনিংস। ঢাকা টেস্টে প্রথম দিন শেষ সেশনে চার উইকেট হারিয়ে চাপে পড়েছিল বাংলাদেশ। দ্বিতীয় দিন তারা নেমেছিল ঘুরে দাঁড়ানোর প্রত্যয় নিয়ে। কিন্তু ব্যর্থ স্বাগতিক ব্যাটসম্যানরা। দ্বিতীয় দিনের পঞ্চম ওভারের শেষ বলে বিদায় নেন লিটন দাস। বাংলাদেশের উইকেটরক্ষক ব্যাটসম্যান ২৪ রানে খেলতে নেমেছিলেন। আগের দিনের সঙ্গে মাত্র একটি রান যোগ করতে পেরেছেন তিনি। তার ২৫ রানের ইনিংস সাজানো ৫৪ বলে, চার রয়েছে তিনটি। সুরাঙ্গা লাকমল বোল্ড করে ফেরান তাকে। এরপর মেহেদী হাসান মিরাজকে নিয়ে দলীয় স্কোর একশ’ ছাড়ান মাহমুদউল্লাহ। কিন্তু ৩৪ রান যোগ করেই এ জুটি ভেঙে যায় আকিলার স্পিনে। শুরু হয় আরও বড় বিপর্যয়। মাত্র ৩ রানের ব্যবধানে
র‌্যাঙ্কিংয়ে ১৫ ধাপ এগোলেন মুমিনুল

র‌্যাঙ্কিংয়ে ১৫ ধাপ এগোলেন মুমিনুল

ক্রিড়া ডেস্ক
বাংলাদেশের প্রথম ব্যাটসম্যান হিসেবে কোনো টেস্টের দুই ইনিংসে সেঞ্চুরি পাওয়া মুমিনুল হক আইসিসি টেস্ট ব্যাটসম্যানদের র‌্যাঙ্কিংয়ে এগিয়েছেন ১৫ ধাপ। দুই ইনিংসের দায়িত্বশীল ব্যাটিংয়ে ছয় ধাপ এগিয়েছেন ভারপ্রাপ্ত অধিনায়ক মাহমুদউল্লাহ। ড্র হওয়া চট্টগ্রাম টেস্টে ১৭৬ ও ১০৫ রানের দুটি ইনিংসে ২৭তম স্থানে উঠে এসেছেন টপ অর্ডার ব্যাটসম্যান মুমিনুল। দুই ইনিংসে ভালো শুরু পাওয়া তামিম ইকবাল রয়েছেন ২১তম স্থানে। বাংলাদেশের ব্যাটসম্যানদের মধ্যে বাঁহাতি এই ওপেনারই র‌্যাঙ্কিংয়ে সবচেয়ে এগিয়ে। আঙুলের চোটের জন্য সিরিজ থেকে ছিটকে যাওয়া সাকিব আল রয়েছেন ২২তম স্থানে। মিডল অর্ডার ব্যাটসম্যান মুশফিকুর রহিম ২৫তম স্থানে। ৮৩ ও ২৮ রানের দুটি অপরাজিত ইনিংসে ক্যারিয়ার সেরা ৪৮তম স্থানে উঠে এসেছেন মাহমুদউল্লাহ। দ্বিতীয় ইনিংসের ৯৪ রানে নয় ধাপ এগিয়ে ৮১তম স্থানে আছেন লিটন দাস। কয়েকবার জীবন পেয়ে ১৯৬ রানের ইনিংস খেলা কুসল মেন্ডিস
ড্র করেই জয়ের আনন্দ

ড্র করেই জয়ের আনন্দ

ক্রিড়া ডেস্ক
চতুর্থ দিনের শেষ ওভারে মুশফিকের আউটে হঠাৎ অন্ধকার নেমে আসে সাগরিকায়। টাইগার-ভক্তদের তখন একটাই চিন্তা, প্রথম ইনিংসে ৫০০ ছাড়িয়েও হারের লজ্জায় পড়তে হবে না তো! রবিবার সকালে বন্দরনগরীতে ছিল হালকা কুয়াশা। বাংলাদেশও তখন দুশ্চিন্তার কুয়াশায় আচ্ছন্ন। কিন্তু মুমিনুল হক আর লিটন দাসের অসাধারণ দৃঢ়তায় অন্ধকার কেটে আলোর পথে যাত্রা করলো দেশের ক্রিকেট। টেস্ট ক্রিকেটে শেষ দিনের ব্যাটিং কেমন হতে পারে, তারই উদাহরণ সৃষ্টি করলেন দুজনে। বাংলাদেশকে এমন এক ড্র উপহার দিলেন, যার মূল্য জয়ের চেয়ে কম নয়। এই ফল স্বাগতিকদের জন্য বিশাল প্রাপ্তি। কঠিন পরিস্থিতির সামনে দাঁড়িয়ে বাংলাদেশ যেভাবে ঘুরে দাঁড়ালো, তাতে এই ড্র জয়ের সমান বড়! ১১৯ রানে পিছিয়ে, সাত উইকেট হাতে নিয়ে শেষ দিনে মাঠে নেমেছিল টাইগাররা। প্রায় আড়াই সেশনে মাত্র দুই উইকেট হারিয়ে ১৮৮ রান করেছে বাংলাদেশ। ম্যাচের ১৭ ওভার বাকি থাকতে বেলা তিনটা ২০ মিনিটে দুই দল ড্র মে
মুমিনুলের ফিফটিতে বাংলাদেশের প্রতিরোধ

মুমিনুলের ফিফটিতে বাংলাদেশের প্রতিরোধ

নিউজ ডেস্ক
চট্টগ্রাম টেস্টে ম্যাচ বাঁচানোর লড়াইয়ে জুটি গড়ছেন মুমিনুল হক ও লিটন দাস। ৮০ বলে অর্ধশত রানের জুটি গড়েছেন দুজন। বাংলাদেশের সংগ্রহ দাঁড়িয়েছে ৩ উইকেটে ১৮২ রান। তারা এখনও পিছিয়ে ১৮ রানে। মুমিনুল ব্যাট করছেন ৬৭ রানে। লিটন ব্যাট করছেন ৪৭ রানে। চট্টগ্রাম টেস্টের পঞ্চম ও শেষ দিনের শুরুটা দেখে শুনে করেছিলেন আগের ইনিংসের সেঞ্চুরিয়ান মুমিনুল হক। সঙ্গে লিটন দাসকে সঙ্গে নিয়েই পার করেছেন দলীয় শত রান। এছাড়া মুমিনুল পেরেরার ৪৩তম ওভারে তিন রান নিয়ে পূরণ করেছেন ১৩তম ফিফটি। শেষ দিনে ম্যাচ বাঁচাতে লম্বা ইনিংস খেলতে হবে ব্যাটসম্যানদের।
জয়ের সম্ভাবনায় উজ্জীবিত শ্রীলঙ্কা

জয়ের সম্ভাবনায় উজ্জীবিত শ্রীলঙ্কা

ক্রিড়া ডেস্ক
চট্টগ্রাম টেস্ট জিততে শ্রীলঙ্কার চাই সাত উইকেট। অন্যদিকে বাংলাদেশের সামনে সমীকরণটা অনেক কঠিন। প্রতিপক্ষকে আবার ব্যাট করতে পাঠাতে স্বাগতিকদের প্রয়োজন আরও ১১৯ রান। শ্রীলঙ্কানরা তাই জয় ছাড়া কিছু ভাবছে না। চতুর্থ দিনের খেলা শেষে সংবাদ সম্মেলনে শ্রীলঙ্কার উইকেটরক্ষক-ব্যাটসম্যান নিরোশান ডিকবেলা বললেন, ‘আমাদের সামনে এই টেস্ট জয়ের দারুণ সুযোগ। ভালো বোলিংয়ের জন্য এটা এখন আদর্শ উইকেট। স্টাম্পের আশেপাশে রুক্ষ হয়ে পড়ায় উইকেটে প্রচুর টার্ন আছে। ভালো জায়গায় বোলিং করতে পারলে আমাদের জেতা সহজ হবে।’ দিনের শেষ ওভারে আউট হয়ে বাংলাদেশকে বিপদে ফেলে দিয়েছেন মুশফিকুর রহিম। স্বাগতিকদের অন্যতম সেরা ব্যাটসম্যানের আউট হওয়ার ধরন নিয়ে সমালোচনা করতে ছাড়লেন না ডিকবেলা, ‘মুশফিক টিকে থাকার জন্য নেতিবাচক ব্যাটিং করেছে। আমি মনে করি না এই উইকেটে এভাবে ব্যাটিং করা উচিত। ইতিবাচক মনোভাব নিয়ে খেলতে হবে। কারণ উইকেটের অবস্থা ভালো
৫ রানের আক্ষেপ নাসিরের

৫ রানের আক্ষেপ নাসিরের

নিউজ ডেস্ক
বাংলাদেশের দ্বিতীয় ব্যাটসম্যান হিসেবে প্রথম শ্রেণির ক্রিকেটে ট্রিপল সেঞ্চুরি করার সুযোগ ছিল নাসির হোসেনের সামনে। কিন্তু মাত্র ৫ রান আক্ষেপ হয়ে থাকলো, ২৯৫ রানে আউট হয়ে গেছেন তিনি। জাতীয় ক্রিকেট লিগের ষষ্ঠ রাউন্ডের শেষ দিনে ২৭০ রান নিয়ে ব্যাটিংয়ে নামা নাসির আরও ২৫ রান যোগ করলেও ট্রিপল সেঞ্চুরি পূরণ করতে পারেননি। চট্টগ্রামের জহুর আহমেদ চৌধুরী স্টেডিয়ামে বরিশাল বিভাগের বিপক্ষে ক্যারিয়ারের দ্বিতীয় ডাবল সেঞ্চুরির পর ভক্তরা ছিলেন তার ট্রিপল সেঞ্চুরির অপেক্ষায়। সাড়ে আট ঘণ্টা ক্রিজে থাকার পর লিঙ্কন দে সঞ্জয়ের বলে ফজলে রাব্বির তালুবন্দী হয়ে ফিরে যান নাসির। ৬০৩ বলে ৩২ চার ও ৩ ছক্কায় খেলে যান ২৯৫ রানের চমৎকার এক ইনিংস। বাংলাদেশের একমাত্র ট্রিপল সেঞ্চুরিয়ান রকিবুল হাসান। বরিশালের হয়ে সিলেটের বিপক্ষে ২০০৬-০৭ মৌসুমে ফতুল্লায় ৩১৩ রানের ইনিংসটি খেলেছিলেন রকিবুল। শুক্রবার পঞ্চম উইকেটে আরিফুলকে সঙ্গে নিয়ে